মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অতিরিক্ত কাজের প্রেসার ও মানসিক চাপের কারণে রক্তে সুগার বাড়ে। রক্তের সুগারের পরিমাণ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেলে তা কিডনির ক্ষতি করে, চোখের দৃষ্টিশক্তিও হ্রাস পায়, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মতো মারাত্মক প্রাণঘাতী সমস্যা দেখা যায়।
ময়দা, পাউরুটি, বিস্কুট এবং পাস্তার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অনেক বেশি, যা রক্তে সুগার বৃদ্ধি পায়। মিষ্টি বা মিষ্টি ফলের জুস রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয় এবং আলু ও মিষ্টি আলু এতে প্রচুর স্টাচ থাকে। এই ধরনের খাদ্যের ফলে রক্তে সুগার প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। সুগার রোগীদের দীর্ঘক্ষন পেট খালি রাখা উচিত নয়। এতে সুগার বাড়ার ফলে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।
সুগার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কিছু টিপস জানা দরকার। সুগার নিয়ন্ত্রণ ঘরোয়া উপায় সবটির কার্যকারী হলো সময় মতো খাদ্য গ্রহণ, নিয়ম করে প্রতিদিন হাঁটা, সময় মতো ঘুমাতে হবে। রক্তে সুগার সব থেকে ভালো নিয়ন্ত্রণ করার উপায় মেথি এবং দারুচিনি ও করলার বস এবং তার সাথে সবুজ শাকসবজি খেলে ব্লাড সুগার দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
রক্তের সুগার দ্রুত কমানোর জন্য খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি, বিভিন্ন ধরনের ফলমূল, এবং নিয়ম করে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট ধরে দ্রুত হাঁটা এবং ব্যায়াম করা অত্যন্ত জরুরী, এতে শরীরের ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।
সবুজ শাকসবজির মধ্যে ব্রকোলি, পালং শাক। ফলের মধ্যে পেয়ারা,আপেল। প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকরের জন্য ডিম,মাছ বাদাম। সুগার রোগীদের দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে হয়। এতে সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে সুবিধা হয়।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার ভালো উপায় প্রতিদিন সকাল বেলার মেথি খাওয়া অত্যন্ত উপকারী। রাতে মনে করে এক চামচ মেথি জলে ভিজিয়ে রেখে, পরের দিন সকালে খালি পেটে মেথির জল খান, মেথি শুধু সুগার রোগীদের জন্য নয়, সাধারণ মানুষের জন্য মেথির জল খুব উপকারিতা।
সুগার রোগীদের ডায়েটে সামান্য দারুচিনি গুঁড়ো এবং নিয়মিত করলার রস খেলে সুগার কমাতে সাহায্য করে। দৈনন্দিন কাজের ফাঁকে এই টিপস গুলো মেনে চললে সুগার কমাতে সাহায্য করবে।
