কাকদ্বীপে বাম দম্পতিকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার মামলা: ৮ বছর পর ১০ জনকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজত

রাজ্য সর্বশেষ খবর

দীর্ঘ ৮ বছর পর অবশেষে গতি পেল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের একটি পুরোনো ও চাঞ্চল্যকর জোড়া খুন মামলা। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগের রাতে কাকদ্বীপের বুধখালি গ্রামে দেবু দাস ও ঊষা রানি দাস নামে এক দম্পতিকে তাঁদের নিজেদের বাড়িতেই পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। তাঁরা বামপন্থী রাজনৈতিক দলের (সিপিআইএম) সমর্থক ছিলেন। অভিযোগের আঙুল উঠেছিল তৃণমূলের লোকজনের বিরুদ্ধে।
মৃত দম্পতির একমাত্র ছেলে দীপঙ্কর দাস দীর্ঘদিন ধরে এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের আশায় লড়ছিলেন। গত মঙ্গলবার তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে পুরো বিষয়টি জানান। মুখ্যমন্ত্রীর সাথে এই বৈঠকের পরপরই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।
মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্তে নেমে মঙ্গলবার রাতে কাকদ্বীপ থানার পুলিশ বুধখালি এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়। সেখান থেকে প্রথমে ১০ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পরে তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে অমিত মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি রয়েছেন, যিনি গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে এই খুনে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
বুধবার ধৃত ১০ জনকে কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁদের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। এছাড়া সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার বিশ্বচাঁদ ঠাকুরও নিহত দম্পতির ছেলের সাথে কথা বলে সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *