বিশ্বকাপের মঞ্চে শুরুটাই ধাক্কা দিয়ে করল পর্তুগাল। ডিআর কঙ্গোর বিরুদ্ধে ১-১ ড্র করে প্রশ্নের মুখে পড়লেন দলের অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। পুরো ম্যাচ খেললেও কার্যত অদৃশ্য ছিলেন তিনি— ফলে উঠছে বড় প্রশ্ন, তিনি কি এখন দলের বোঝা হয়ে উঠছেন?
ম্যাচের শুরুটা কিন্তু দারুণই ছিল পর্তুগালের। মাত্র ছ’মিনিটে পেদ্রো নেতোর ক্রস থেকে নিখুঁত হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জোয়াও নেভেস। তবে এরপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে নিজেদের হাতে নেয় কঙ্গো। শক্ত রক্ষণ আর সংগঠিত খেলায় পর্তুগালের আক্রমণকে বারবার থামিয়ে দেয় তারা।
রোনাল্ডোর পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। না তিনি নিজে সুযোগ তৈরি করতে পেরেছেন, না সহখেলোয়াড়দের দেওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে। দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্সিসকো কনসেসাওয়ের বাড়ানো দুটি বল থেকেও গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। বয়সজনিত সীমাবদ্ধতা থাকলেও, মাঠে তার লড়াইয়ের অভাব চোখে পড়েছে।
মাঝমাঠে ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বের্নার্দো সিলভা ও ভিতিনহাদের উপস্থিতি সত্ত্বেও দলগত বোঝাপড়ার অভাব ছিল স্পষ্ট। আক্রমণভাগে সৃজনশীলতার ঘাটতি এবং রক্ষণে সমন্বয়ের অভাব— দুই মিলিয়ে ম্যাচে বারবার সমস্যায় পড়ে পর্তুগাল।
অন্যদিকে কঙ্গো সুযোগ বুঝে পাল্টা আক্রমণে যায় এবং ইয়োনে উইসার হেডে সমতা ফেরায়। গোলের সময় পর্তুগালের রক্ষণভাগের দুর্বলতা প্রকট হয়ে ওঠে।
কোচ রবার্তো মার্তিনেজ়ের দল নির্বাচন নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। গন্সালো রামোসকে দেরিতে নামানো, জোয়াও ফেলিক্সকে না খেলানো— এসব সিদ্ধান্ত নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্বকাপে পর্তুগালের এই সোনালি প্রজন্ম যদি দ্রুত নিজেদের ঠিক না করে, তবে হতাশাই সঙ্গী হতে পারে।
