বিশ্বকাপের মঞ্চে অবশেষে ফিরলেন নেইমার। দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর আবারও ব্রাজ়িলের জার্সি গায়ে মাঠে নামলেন দেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার। আর সেই প্রত্যাবর্তনের মুহূর্তেই আবেগে ভেসে গেলেন তিনি। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষে জার্সিতে মুখ লুকিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় নেমারকে।
এ বারের বিশ্বকাপে নেইমারকে আদৌ দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সংশয় ছিল। একের পর এক চোট তাঁকে মাঠের বাইরে রেখেছিল। তবে ব্রাজ়িল কোচ কার্লো আনচেলোত্তি ধৈর্য ধরে তাঁকে দলে রেখেছেন এবং ধাপে ধাপে ম্যাচ ফিট করে তুলেছেন। সেই আস্থারই প্রতিফলন দেখা গেল স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে।
প্রথম একাদশে জায়গা না পেলেও বদলি তালিকায় ছিলেন নেইমার। ম্যাচের ৬৫ মিনিটে তাঁকে ওয়ার্ম আপ করতে দেখা মাত্রই গর্জে ওঠে গ্যালারিতে উপস্থিত হাজার হাজার ব্রাজ়িল সমর্থক। অবশেষে ৭৬ মিনিটে মাঠে নামেন তিনি। তখন ব্রাজ়িল ৩-০ গোলে এগিয়ে থাকায় তাঁর উপর অতিরিক্ত চাপ ছিল না। তবে তাঁর মাঠে নামাটাই যেন ছিল ম্যাচের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত।
খেলা শেষে সতীর্থদের শুভেচ্ছা, সমর্থকদের ভালোবাসা এবং পরিবারের উপস্থিতি—সব মিলিয়ে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি নেমার। ব্রাজ়িলের হয়ে সর্বাধিক ৭৯ গোল করা এই তারকা ফুটবলারের চোখে তখন আনন্দাশ্রু।
ম্যাচের পর নেমার বলেন, “হৃদ্স্পন্দন বেড়ে গিয়েছিল। খুব চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু এখন খুব খুশি সব ভাল ভাবে হয়েছে। আমরা জিতেছি। দলকে নিয়ে আমি গর্বিত।”
নকআউট পর্বের কঠিন লড়াইয়ের আগে নেইমারের প্রত্যাবর্তন নিঃসন্দেহে ব্রাজ়িল শিবিরে নতুন আত্মবিশ্বাস এবং বাড়তি শক্তি যোগাবে।
