শারীরিক লড়াই আর জমাট রক্ষণ—এই দুইয়ের ফাঁদেই আটকে গেল ইংল্যান্ড। Harry Kane-দের শক্তিশালী আক্রমণ বিভাগও ভেঙে ফেলতে পারল না ঘানার রক্ষণভাগ। ফলে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোলশূন্য ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হল England National Football Team-কে।
ম্যাচের শুরু থেকেই গতি ও নিয়ন্ত্রণের দিক থেকে কিছুটা এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। Jude Bellingham ও কেনের বোঝাপড়ায় আক্রমণ গড়ে উঠলেও, শেষ মুহূর্তে তা থেমে যায় ঘানার ডিফেন্ডারদের প্রাচীরে। Ghana National Football Team এমনভাবে ডিফেন্স সাজিয়েছিল যে ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ডরা জায়গাই পাচ্ছিলেন না।
মাঝে মাঝেই ম্যাচ শারীরিক লড়াইয়ের রূপ নেয়। সংঘর্ষে মাথায় চোট পান কেন, অন্যদিকে ঘানার অধিনায়ক Jordan Ayew-এর মাথা ফেটে যায়। চিকিৎসার পর আবার মাঠে ফেরেন তিনি। ম্যাচের তীব্রতা তখন প্রায় কুস্তির পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
গোলের খোঁজে কোচ Thomas Tuchel একের পর এক পরিবর্তন আনেন। Bukayo Saka, Marcus Rashford-দের নামানো হয় আক্রমণে গতি আনতে। তবুও কাঙ্ক্ষিত ফল মেলেনি। ম্যাচের শেষ দিকে সবচেয়ে সহজ সুযোগ পেয়েও তা নষ্ট করেন কেন।
বিশ্বকাপের অন্যতম শক্তিশালী আক্রমণ থাকা সত্ত্বেও ইংল্যান্ডের এই ব্যর্থতা ভাবাবে টুখেলকে। আক্রমণে বৈচিত্র্য না আনতে পারলে ১৯৬৬ সালের বিশ্বজয়ীদের পথ আরও কঠিন হতে পারে—এই বার্তাই যেন দিয়ে গেল ঘানার রক্ষণ
