কাবো ভার্দের কাছে আটকে গেল স্পেন। ম্যাচ জয়ের জন্য একের পর এক আক্রমণ শানালেও গোলের দেখা পেল না প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শেষ পর্যন্ত লামিনে ইয়ামালকে নামিয়েও পরিস্থিতি বদলাতে পারলেন না কোচ লুই দে লা ফুয়েন্তে। আফ্রিকার দলটির হয়ে প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজ়িনহা।
ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল স্পেনের। বলের দখল, পাসিং—সবেতেই এগিয়ে ছিল তারা। কিন্তু শেষ তৃতীয়াংশে গিয়ে বারবার ব্যর্থ হল আক্রমণ। ছ’গজের বাইরে থেকেই থমকে গেল স্প্যানিশদের সব প্রচেষ্টা। অন্যদিকে কাবো ভার্দে রক্ষণাত্মক ফুটবল খেললেও প্রতিটি বলে লড়াই করেছে। দলগত সংহতি ও দৃঢ় মানসিকতায় তারা চাপে পড়েনি।
গোল না পাওয়ায় দ্বিতীয়ার্ধে ঝুঁকি নিতে বাধ্য হন ফুয়েন্তে। ৭০ মিনিটে নামানো হয় তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল ও মিকেল মেরিনোকে। কিন্তু তাতেও লাভ হয়নি। বরং আরও দৃঢ় হয়ে ওঠে কাবো ভার্দের রক্ষণভাগ।
এই ম্যাচের আসল নায়ক ভোজ়িনহা। একাধিক নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে তিনি একাই রুখে দেন স্পেনকে। তাঁর দুরন্ত রিফ্লেক্স ও আত্মবিশ্বাস হতাশ করে দেয় প্রতিপক্ষকে। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ও হন তিনিই।
স্পেনের দল নির্বাচন নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। প্রথম একাদশে নিকো উইলিয়ামসকে না রাখা এবং কৌশল পরিবর্তনে দেরি করাই বড় ভুল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে, প্রথম বিশ্বকাপে খেলতে নেমেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে নজর কেড়েছে কাবো ভার্দে
